৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


ট্রেন্ডিং:

কুষ্টিয়া পলিটেকনিকে নম্বর ও পাসের প্রলোভনে শিক্ষার্থীদের স'মকা'মিতায় বাধ্য করার অভিযোগ

কুষ্টিয়া পলিটেকনিকে নম্বর ও পাসের প্রলোভনে শিক্ষার্থীদের স'মকা'মিতায় বাধ্য করার  অভিযোগ
কুষ্টিয়া পলিটেকনিকে নম্বর ও পাসের প্রলোভনে শিক্ষার্থীদের স'মকা'মিতায় বাধ্য করার অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 12:00, 01 আগস্ট 2026 | আপডেট: 04:00, 04 সেপ্টেম্বর 2026
জনতার পত্রিকা : 
 
 
 কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ও শিক্ষাঙ্গন চত্বরে এখন থমথমে ও চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির মেকানিক্যাল (যান্ত্রিক) প্রকৌশল বিভাগের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ও বিভাগীয় প্রধান বিপুল কুমার কুন্ডুর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কৃত্রিমভাবে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া, ব্যবহারিক (প্র্যাকটিক্যাল) পরীক্ষায় পূর্ণ সহায়তা করা এবং নানাবিধ একাডেমিক সুবিধার লোভ দেখিয়ে অনৈতিক সমকামিতার সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার ভয়াবহ ও স্পর্শকাতর অভিযোগ উঠেছে।
পদ ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশেষে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তার কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং স্থায়ী অপসারণের দাবি জানিয়ে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। ঘটনার ভয়াবহতায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—বিপুল কুন্ডুর অপসারণ ও কঠোর আইনি শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা ফিরবেন না।
 
অনুসন্ধানী নথিপত্র বিশ্লেষণ করে জানা যায়, বিপুল কুমার কুন্ডু ২০০৬ সাল থেকে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি পদোন্নতি পেয়ে মেকানিক্যাল বিভাগের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর তার প্রশাসনিক ক্ষমতা ও দাপট বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের দাবি—তার এই বিকৃত মনস্তাত্ত্বিক ও অনৈতিক আচরণের ইতিহাস নতুন নয়। ২০১৮ সাল থেকেই বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওপর তিনি এমন নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। তৎকালীন সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভয় ও নিজের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খোলার সাহস পাননি।
প্রতিবেদকের হাতে আসা এবং ভুক্তভোগীদের সংরক্ষিত বিভিন্ন সময়ের মেসেঞ্জার কথোপকথনের (স্ক্রিনশট) একাধিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গভীর রাতে বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে বার্তা পাঠাতেন এই শিক্ষক। সেখানে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাইয়ে দেওয়া, ফেল করানো থেকে রক্ষা করা বা ডিপার্টমেন্টে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেওয়া হতো।
 
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিষয়টি কেবল মেসেঞ্জারে প্রস্তাব দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কেউ তার প্রস্তাবে সাড়া না দিলে বা বার্তা উপেক্ষা করলে মেসেঞ্জারের চ্যাট স্ক্রিনশট দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানো হতো। সামাজিক ও মানসিকভাবে তাদের কোণঠাসা করে পরবর্তীতে দেখা করতে বাধ্য করা হতো। যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে সরাসরি বলা হতো—পরীক্ষায় ফেল করিয়ে জীবন ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইনস্টিটিউটের এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী আক্ষেপ ও ক্ষোভের সাথে বলেন, বিপুল স্যার আমাদের সাথে যা করেছেন, তা কোনো শিক্ষকের কাজ হতে পারে না। তিনি বিভিন্নভাবে আমাদের ওপর মানসিক নির্যাতন চালাতেন। কখনো ভালো নম্বরের লোভ দেখাতেন, কখনো টাকা-পয়সার কথা বলতেন। মেসেঞ্জারে অনবরত কুরুচিপূর্ণ মেসেজ পাঠাতেন। আমরা উত্তর না দিলে ক্লাসে বা ডিপার্টমেন্টে ডেকে বলতেন—‘আমাকে অপছন্দ করলে বা আমার কথা না শুনলে তোমার রেজাল্ট এমন করে দেব যে পলিটেকনিক থেকে বের হতে পারবে না।’
 
একই বিভাগের আরেকজন বর্তমান শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, পরীক্ষার কঠিন দিনগুলোতেও তিনি আমাদের নিস্তার দিতেন না। পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই তার ব্যক্তিগত কক্ষে বা নির্দিষ্ট স্থানে দেখা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন। না যেতে চাইলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে দেওয়া বা সরাসরি ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। আমরা এই বিকৃত মানসিকতার শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক ছাত্রদের এভাবে জিম্মি করার সাহস না পায়।
শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ওপর এমন মানসিক ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি ক্যাম্পাসে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এক শিক্ষার্থী আবেগঘন কণ্ঠে ও ক্ষোভে ফেটে পড়ে বলেন, যাকে আমরা পিতার আসনে বসিয়ে পরম শ্রদ্ধায় গুরু বলে মানতাম, সেই শিক্ষকই যদি আমাদের জিম্মি করে এমন বিকৃত লালসার শিকার বানাতে চান, তবে আমরা কোথায় নিরাপদ? পরীক্ষার নম্বর আর পাসের ভয় দেখিয়ে আমাদের সহপাঠীদের ওপর যে মানসিক ট্রমা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মেনে নিতে পারে না। উনি শিক্ষক নামের কলঙ্ক! উনাকে শুধু চাকরিচ্যুত করলে হবে না, ফৌজদারি অপরাধে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। কোনো প্রকার টালবাহানা বা বদলি বাণিজ্য করে উনাকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হলে আমরা পুরো কুষ্টিয়া অচল করে দেব। এই লম্পট শিক্ষকের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম থামবে না!
 
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এই অভিযোগসমূহ একদিকে যেমন চরম নৈতিক স্খলন, অন্যদিকে দেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইন ও প্রশাসনিক বিধিমালার অধীনে গুরুতর ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সরকারি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পদে বহাল থেকে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল বা অনিচ্ছাকৃত শারীরিক ও মানসিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির অধীন (ধারা ৫০৬ ও ৩৫৪) সরাসরি দণ্ডনীয় অপরাধ। তাছাড়া ডিজিটাল মাধ্যম (যেমন মেসেঞ্জার বা অন্য কোনো অ্যাপস) ব্যবহার করে অনৈতিক ইঙ্গিতপূর্ণ প্রস্তাব প্রদান, ছবি বা চ্যাটের স্ক্রিনশট দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মানসিক নির্যাতন চালানো ডিজিটাল অপরাধ হিসেবে গণ্য। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী সরকারি বা আধা-সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ এবং ‘নৈতিক স্খলন’ এর প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত করা বা বরখাস্ত করার স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে।
 
 
শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশের শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও অভিভাবকবৃন্দ।
কুষ্টিয়ার একজন প্রবীণ শিক্ষানুরাগী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞান অর্জনের পবিত্র স্থান। সেখানে একজন বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব ও ব্লাকমেইলের এমন অভিযোগ চরম উদ্বেগজনক। এটি পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য একটি লজ্জাজনক অধ্যায়। যদি এই ঘটনা সত্যি হয় এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভয় পাবেন। তদন্তের নামে কোনো রকম সময়ক্ষেপণ বা অন্য জায়গায় বদলি করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের উচিত দ্রুততম সময়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা।
 
শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুরো কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চরম তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেকোনো মুহূর্তে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে ক্যাম্পাস অচল করে দিতে পারেন—এমন আতঙ্কে রীতিমতো কাঁপছে কলেজ প্রশাসন। উদ্ভূত সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও গতকাল জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে এক বিশেষ মিটিং কল করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ইনস্টিটিউটের একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং শিক্ষার্থীদের উত্তাল ক্ষোভ প্রশমিত করতে একটি প্রভাবশালী মহল কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক বিপুল কুমার কুন্ডুকে বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি না করে দ্রুত অন্য কোনো জেলার পলিটেকনিকে ‘নিরাপদ বদলি’ করার গোপন তোড়জোড় চালানো হচ্ছে।
 
শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নস্যাৎ করতে এবং গণমাধ্যমে যাতে এ সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য না আসে, সে জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আন্দোলন থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে এবং পুরো ঘটনাকে সাধারণ অঘটন হিসেবে সাজাতে একাধিক প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে টাকা দিয়ে হাত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সাধারণ ছাত্রসমাজ সাফ জানিয়ে দিয়েছে—কোনো প্রকার লোকদেখানো বদলি বা রফাদফা মানা হবে না; বিপুল কুন্ডুকে চাকরিচ্যুত করে আইনি আওতায় না আনা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না।
 
ছাত্রদের আনা এসব চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক অভিযোগের বিষয়ে মুখোমুখি প্রশ্ন করা হলে সম্পূর্ণ দায় অস্বীকার করেন অভিযুক্ত শিক্ষক বিপুল কুমার কুন্ডু। মেসেঞ্জারে কথোপকথনের অডিও ও চ্যাট স্ক্রিনশটের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তাকে ফাসানো হচ্ছে।
নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে বিপুল কুমার কুন্ডু বলেন, এসব মেসেঞ্জার চ্যাট ও স্ক্রিনশট সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং আধুনিক এআই (AI) প্রযুক্তি দিয়ে কৃত্রিমভাবে বানানো হয়েছে। আমি একজন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শিক্ষক, আমার পক্ষে এ ধরনের বিকৃত কাজ করার প্রশ্নই আসে না। দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে চাকরি করছি, কখনো আমার বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। একটি কুচক্রী মহল আমার পেশাগত সাফল্য ও সম্মান সহ্য করতে না পেরে শত্রুতা করে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিক কথোপকথনের নথির বিষয়ে পুনরায় জানতে চাওয়া হলে তিনি একইভাবে চক্রান্তের দোহাই দেন। একপর্যায়ে তিনি নিজের ওপর সহানুভূতি তৈরির উদ্দেশ্যে দাবি করেন—কিছুদিন আগে শহরের একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে কতিপয় ব্যক্তি মারধর করেছিল। তবে মারধরের মতো গুরুতর অপরাধের শিকার হয়েও থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা করেছেন কি না—জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। বিষণ্ণ কণ্ঠে তিনি জানান,”মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে আমি কোনো থানায় জিডি বা মামলা করিনি।” কথা শেষ করার সময় তিনি একাধিকবার এই সংবেদনশীল তথ্যটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্য আকুল অনুরোধ জানান।
 
প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন জানান, অভিযোগপত্র হাতে পাওয়ার পরপরই তারা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “গত ২৬ তারিখে মেকানিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে চিফ ইনস্ট্রাক্টর বিপুল কুমার কুন্ডুর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার সাথেই সাথেই আমরা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মহাপরিচালক মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করেছি। অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। অভিযোগের প্রতিটি বিষয় সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাই করে একটি নিরপেক্ষ লিখিত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ে অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। পরবর্তী আদেশ ও চূড়ান্ত বিভাগীয় সিদ্ধান্ত অধিদপ্তর থেকেই আসবে।
 
পলিটেকনিকের মতো একটি দায়িত্বশীল কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থীদের ক্রমাগত ব্লাকমেইল ও যৌন হয়রানির খবর ছড়িয়ে পড়ায় কুষ্টিয়াজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে ছাত্রদের চরিত্র হননকারী এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোরতম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক তদন্তের নামে কোনো রকম সময়ক্ষেপণ বা বদলির মাধ্যমে পার পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে রাজপথে নেমে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে পুরো কুষ্টিয়া অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা(c)
1

মুন্সীগঞ্জ সদরে জাতীয় পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ♦ মুন্সীগঞ্জ সদরে জাতীয় পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

2

“পথ যেন হয় শান্তির,মৃত্যুর নয়"-এই স্লোগানে টঙ্গীবাড়ীতে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল ♦ “পথ যেন হয় শান্তির,মৃত্যুর নয়"-এই স্লোগানে টঙ্গীবাড়ীতে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

3

বাংলাবাজারে বিপ্লব। ♦ বাংলাবাজারে সূধী সমাবেশে মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব.

4

ইতালির ভেনিসে বসবাসরত ভৈরবের সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার ♦ ইতালির ভেনিসে বসবাসরত ভৈরবের সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার

5

বরিশাল সিটি নির্বাচন চলাকালে চরমোনাই পীরের উপর হামলার প্রতিবাদে শ্রীনগরে বিক্ষোভ মিছিল ♦ বরিশাল সিটি নির্বাচন চলাকালে চরমোনাই পীরের উপর হামলার প্রতিবাদে শ্রীনগরে বিক্ষোভ মিছিল

6

মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল অনু ♦ মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল অনু

7

হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব। ♦ হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব।

8

ফুল দিয়ে বরন করে নিলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব কে। ♦ ফুল দিয়ে বরন করে নিলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব কে।

9

বাংলাবাজারে সূধী সমাবেশে মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব। ♦ বাংলাবাজারে সূধী সমাবেশে মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব।

10

এপেক্স ক্লাব শ্রীনগরের পক্ষ থেকে মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ♦ এপেক্স ক্লাব শ্রীনগরের পক্ষ থেকে মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

D

Desh Amar TV

@deshamartv

Subscribe
Watch latest videos on YouTube Visit Channel →
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
আমি চাই শান্তি , হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব

আমি চাই শান্তি , হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ♦ আমি চাই শান্তি , হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব

ফুল দিয়ে বরন করে নিলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব কে।

ফুল দিয়ে বরন করে নিলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব কে। ♦ ফুল দিয়ে বরন করে নিলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, হাজি মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব কে।

বাংলাবাজারে সূধী সমাবেশে মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব.

বাংলাবাজারে বিপ্লব। ♦ বাংলাবাজারে সূধী সমাবেশে মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব.

এপেক্স ক্লাব শ্রীনগরের পক্ষ থেকে মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

এপেক্স ক্লাব শ্রীনগরের পক্ষ থেকে মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ♦ এপেক্স ক্লাব শ্রীনগরের পক্ষ থেকে মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইতালির ভেনিসে বসবাসরত ভৈরবের সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার

ইতালির ভেনিসে বসবাসরত ভৈরবের সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার ♦ ইতালির ভেনিসে বসবাসরত ভৈরবের সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার